অনলাইনে ট্রেনের টিকেট কাটার নিয়ম ২০২২

কর্তৃক সরকারি আদেশ
0 মন্তব্য 802 views

অনলাইনে ট্রেনের টিকেট কাটার নিয়ম ২০২২: আপনি কি অনলাইনের মাধ্যমে ট্রেনের টিকেট কিনতে চান? তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য, আজকের পোস্টে আমরা আপনার সাথে শেয়ার করব কিভাবে নতুন নিয়মে ট্রেনের টিকেট কিনতে হয়! তো চলুন শুরু করা যাক। বর্তমানে ট্রেনের ৫০% টিকেটই অনলাইন হতে ক্রয় করা যায়। আপনারা যারা জানেন না কিভাবে অনলাইনে ট্রেনের টিকেট সংগ্রহ করতে হয়, তাদের জন্য বিস্তারিত ও ছবিসহ দেখাব বাংলাদেশ রেলওয়ে অনলাইন টিকেট কাটার নিয়ম। আপনি নিজেই আপনার মোবাইল থেকে বিকাশের সাহায্যে অনলাইনে ট্রেনের টিকেট কিনতে পারবেন। তাছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড দিয়েও টিকেট ক্রয় করতে পারবেন।

ট্রেনের টিকেট কাটার নিয়ম ২০২২

জানা গেছে, নতুন ওয়েবসাইট https://eticket.railway.gov.bd/ থেকে টিকিট সংগ্রহের জন্য প্রথমেই প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে করতে হবে নতুন অ্যাকাউন্ট। পুরোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপের অ্যাকাউন্টের তথ্য দিয়ে লগ-ইন যাবে না নতুন ওয়েবসাইটে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সহজ, সিনেসিস এবং ভিনসেন জেভি যৌথভাবে তৈরি করেছে টিকিটিং সিস্টেম। এখন চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। চলতি বছর ১৫ ফেব্রুয়ারি টিকিটিং সিস্টেম পরিচালনার জন্য পাঁচ বছর মেয়াদী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ‘সহজ’র সঙ্গে বাংলাদেশ রেলওয়ের।
বাস-লঞ্চের টিকিট বিক্রির অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ১৫ বছর ধরে ব্যবহৃত রেল টিকিটিং সিস্টেমের আদলে একটি সমমানের পদ্ধতি মাত্র ২১ কর্মদিবসে তৈরি করেছে সহজ। উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি পেয়েছে সহজ। টিকিটের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সিস্টেম পরিচালনা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণও প্রদান করেছে সহজ। এর আগে টিকিট বিক্রির দায়িত্ব পালন করেছে সিএনএস নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

অনলাইনে ট্রেনের টিকেট কাটার সময়

বাংলাদেশে ট্রেনকে সবচেয়ে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী পরিবহন ধরা হয়। তাই দূরপাল্লার যেকোনো ভ্রমণে সবাই ট্রেন ব্যবহারেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। কিন্তু ট্রেনের টিকেট পাওয়া অত্যন্ত দুঃসাধ্য। অনেক লম্বা লাইনে দাড়িয়েও শেষ পর্যন্ত আপনি হয়তো টিকেট পাবেন না। তাই, আপনি ঘরে বসেই খুব সহজে আপনার মোবাইল থেকেই ট্রেনের টিকেট বুকিং করতে পারেন।

অনলাইনে ট্রেনের টিকেট কাটার সময় হলো সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। আপনি আজ থেকে আগামী ৫ দিন পর্যন্ত ট্রেনের অগ্রিম টিকেট ক্রয় করতে পারবেন। তো চলুন এখন দেখে নেয়া যাক কিভাবে ট্রেনের টিকেট কাটবেন।

অনলাইনে ট্রেনের টিকেট কাটার নিয়ম

অনলাইনে ট্রেনের টিকেট কাটার জন্য সর্বপ্রথম আপনাকে  eticket.railway.gov.bd/ ওয়েবসাইটে গিয়ে নাম, ইমেইল, এনআইডি বা জন্ম নিবন্ধন নাম্বার ও মোবাইল নম্বর দিয়ে একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করুন। এরপর প্রোফাইলের তথ্য আপডেট করুন। আপনার স্টেশন ও গন্তব্য অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখের ট্রেন সার্চ করুন। সবশেষে আসন বাছাই করে অনলাইনে পেমেন্ট করে টিকেট বুকিং কনফার্ম করুন।

ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে ট্রেনের অগ্রিম টিকেট কাটার প্রক্রিয়া

(১) একাউন্ট নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন করুনঃ প্রথম কাজ হচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়েও নতুন ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে।

আপনার মোবাইল ফোন বা কম্পিউটার থেকে গুগল ক্রোম (Chrome) ব্রাউজার থেকে ভিজিট করুন এই ওয়েবসাইটে- eticket.railway.gov.bd/

  • প্রথমেই আপনাকে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে আপনার মোবাইল নম্বর ও ইমেইল দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন বা সাইন আপ করতে হবে। রেজিষ্ট্রেশনের জন্য উপরের ডান পাশ থেকে Register বাটনে ক্লিক করুন। নিচের মত একটি ফর্ম আসবে। এখানে আপনি ইংরেজিতে আপনার নাম, ইমেইল, ফোন নম্বর, ও ৮ অংকের একটি পাসওয়ার্ড দিবেন।
  • NID অথবা Birth Registration Number যেটি আপনি দিতে চান, সেটি Identification Type অপশনে Dropdown অপশন থেকে বাছাই করুন। আপনার National ID Number বা Birth Registration নাম্বার লিখুন। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র এখনো হাতে না পেলে, অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করতে পারেন।
  • এরপর আপনার পোস্টকোড এবং নিচে ঠিকানা লিখুন। সব তথ্য অবশ্যই ইংরেজিতে লিখবেন। এখন ওয়েবসাইটের বাংলা ভার্সন প্রস্তুত হয়নি।

 

  (২) OTP দিয়ে

মোবাইল ভেরিফাই করুনঃ

Sign Up বাটনে ক্লিক করার পরে আপনার মোবাইলে 6 ডিজিটে একটি Verification Code পাঠানো হবে এবং Code টি দিয়ে Verify করতে চাওয়া হবে। আপনার মোবাইলে আসা Code টি 45 সেকেন্ডের মধ্যে সঠিকভাবে লিখে Continue বাটনে ক্লিক করুন। আপনার একাউন্টটি প্রাথমিক ভাবে চালু হয়ে যাবে।

 

(৩) একাউন্টে লগ

ইন করুনঃ ভেরিফিকেশন শেষে, আবার এই ওয়েবসাইটে ফিরে আসবেন এবং উপরের ডান পাশ থেকে Login মেন্যুতে ক্লিক করুন। রেজিষ্ট্রেশনের সময় আপনি যে Mobile Number এবং Password দিয়েছিলেন, এখানে তা দিয়ে লগইন করুন।

 

  (৪) ট্রেন অনুসন্ধান বা সার্চ করুনঃ

  • ট্রেন খোঁজ করার জন্য আপনাকে ওয়েবসাইটের Home পেইজে ফিরে যেতে হবে। আপনি কোন স্টেশন থেকে রওনা হবেন আর কোন স্টেশনে নামবেন সেই অনুসারে ট্রেন সার্চ করুন।

    • FROM – আপনি যে স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠবেন বাছাই করুন
    • TO- তে আপনি যে স্টেশনে নামবেন তা বাছাই করুন।
    • আপনার ভ্রমণের তারিখ সিলেক্ট করুন।
  • CHOOSE A CLASS – এখানে উপরের মত অপশনগুলো পূরণ করে হলুদ রংয়ের Find Ticket বাটনে ক্লিক করুন।

 

 

এরপর আপনার বাছাই করা তারিখের সকল ট্রেনগুলো দেখানো হবে। এখান থেকে ট্রেন ছাড়ার সময় অনুসারে আপনার পছন্দ মত ট্রেন থেকে টিকেট কাটার জন্য সিলেক্ট করুন।

 

 

(৫) সিট সিলেকশন করুনঃ

এই প্রক্রিয়ায় আপনি আপনার ইচ্ছামতো ট্রেনের সিট বুকিং করতে পারবেন। সিট সিলেক্ট করার জন্য পছন্দের সিটে একটি করে ক্লিক করলেই হয়ে যাবে।

 

 

(৬) টিকেটের মূল্য পরিশোধ প্রক্রিয়াঃ

এখানে টিকেটের Class ভাড়ার পরিমাণ ভ্যাট, ব্যাংক চার্জ ও মোট খরচের পরিমাণ দেখানো হবে। সব ঠিক থাকলে, Pay Now বাটনে ক্লিক করে আপনার সুবিধামত পেমেন্ট অপশন, Debit/ Credit Card, bKash এর মাধ্যমে আপনার পেমেন্ট কমপ্লিট করুন।

 

(৭) ট্রেনের টিকেট প্রিন্ট করুনঃ

সফলভাবে অর্থ প্রদানের ১৫ মিনিটের মধ্যে Bangladesh Railway থেকে ই টিকেট ইস্যু করা হবে। টিকেটটি আপনার Mobile/PC তে অটোসেটিক সেভ হয়ে যাবে PDF আকারে । টিকেটটি আপনার ই-মেইলে PDF আকারে পাঠানো হবে, আপনি চাইলে সেটি ডাউনলোড করে তা প্রিন্ট করতে পারেন। টিকেট Inbox Folder এ না পাওয়া গেলে SPAM Folder চেক করতে পারেন।

বিকাশ দিয়ে ট্রেনের টিকেট কাটার নিয়ম

সরাসরি বিকাশ এ্যাপ থেকেও আপনি ট্রেনের টিকেট কাটতে পারেন। তবে এটি সরাসরি ওয়েবসাইট থেকে কাটার মত একই হবে।

নগদ দিয়ে ট্রেনের টিকেট কাটার নিয়ম

{নগদ এখনও প্রক্রিয়াধীন} সরাসরি নগদ এ্যাপ থেকেও আপনি ট্রেনের টিকেট কাটতে পারেন। তবে এটি সরাসরি ওয়েবসাইট থেকে কাটার মত একই হবে।

উপায় দিয়ে ট্রেনের টিকেট কাটার নিয়ম

{উপায় এখনও প্রক্রিয়াধীন} সরাসরি উপায় এ্যাপ থেকেও আপনি ট্রেনের টিকেট কাটতে পারেন। তবে এটি সরাসরি ওয়েবসাইট থেকে কাটার মত একই হবে।

রকেট দিয়ে ট্রেনের টিকেট কাটার নিয়ম

{রকেট এখনও প্রক্রিয়াধীন} সরাসরি রকেট এ্যাপ থেকেও আপনি ট্রেনের টিকেট কাটতে পারেন। তবে এটি সরাসরি ওয়েবসাইট থেকে কাটার মত একই হবে।

মোবাইল দিয়ে ট্রেনের টিকেট কাটার নিয়ম

আপনি মোবাইল দিয়ে সরাসরি ওয়েবসাইট থেকে কাটার মত করে টিকেট ক্রয় করতে পারবেন।

নতুন ট্রেনের টিকেট ২০২২

 

ট্রেনের টিকেট ফেরত বা বাতিল করার নিয়ম

অনেকেই ট্রেনের টিকেট 4/5 দিন আগে কিনে রাখেন। কোন অনাকাঙ্খিত সমস্যার কারণে ভ্রমণ বাতিল হতেই পারে। ট্রেনের টিকেট ফেরত দেওয়ার জন্য অবশ্যই আপনার স্টেশনের কাউন্টারে যেতে হবে। টিকেট ফেরতের ক্ষেত্রে নিম্মোক্ত চার্জ ধার্য করা হবে।

  1. যাত্রা শুরুর 48 ঘন্টা আগে টিকিট ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রে, এসি ক্লাসের জন্য 40 টাকা, প্রথম শ্রেণীর জন্য 30 টাকা এবং অন্য শ্রেণীর জন্য 25 টাকা পরিষেবা চার্জ সহ কাটা হবে।
  2. 48 ঘন্টার কম এবং 24 ঘন্টার বেশি হলে, ভাড়ার 25% কাটা হবে।
  3. 24 ঘন্টার কম এবং 12 ঘন্টার বেশি হলে, ভাড়ার 50% কাটা হবে।
  4. 12 ঘন্টার কম এবং 06 ঘন্টার বেশি ভাড়ার 75% কাটা হবে।
  5. 06 ঘন্টার কম সময়ের জন্য কোন ফেরত নেই।
  6. অনলাইন ক্রয়ের জন্য সার্ভিস চার্জ অ-ফেরতযোগ্য।

    ট্রেনের টিকেট কেনার শর্তাবলী

    ট্রেনের টিকেট ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য শর্তাবলী (তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ রেলওয়ে ই টিকেটিং সার্ভিস)

    1. রেলের টিকিট ইস্যু করার জন্য, বাংলাদেশ রেলওয়ে পোর্টাল কার্ড/ওয়ালেট চার্জ তথ্যের জন্য বিভিন্ন পেমেন্ট গেটওয়ের উপর নির্ভর করে। বাংলাদেশ রেলওয়ে যাত্রীদের কোনো সংবেদনশীল তথ্য যেমন কার্ড/ওয়ালেটের বিবরণ, ওটিপি, পিন কোড সংরক্ষণ করে না।
    2. যদি কোনো কার্ড/ওয়ালেট চার্জ করা হয় এবং/অথবা পেমেন্ট গেটওয়ে যথাসময়ে তথ্য ফেরত দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে এটা সম্ভব যে যাত্রীর কার্ড/ওয়ালেটে কাঙ্খিত টিকিটের জন্য ইস্যু করা ছাড়াই চার্জ করা হবে। এই ধরনের ক্ষেত্রে, পেমেন্ট গেটওয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে 8 (আট) কার্যদিবসের মধ্যে গ্রাহক-যাত্রীর দ্বারা ক্রয়কৃত অর্থ তাদের নিজ নিজ কার্ড/ওয়ালেটে ফেরত দেবে।
    3. যাইহোক, যদি এই ধরনের একজন ক্লায়েন্ট-যাত্রী 8 (আট) কার্যদিবসের মধ্যে ফেরত না পান, তাহলে ক্লায়েন্ট-যাত্রীকে support@br.gov.bd এ সমস্যাটির বিশদ বিবরণ সহ একটি অভিযোগ ইমেল পাঠাতে অনুরোধ করা হচ্ছে । এই ধরনের একজন ক্লায়েন্ট-যাত্রীকে উত্তর 7 কার্যদিবসের মধ্যে পাঠানো হবে।
    4. অর্থপ্রদান পরিষেবা প্রদানকারীদের উপর নির্ভরতার কারণে, সমস্যাটি সমাধান করতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।
    5. অসফল কেনাকাটা এবং কার্ড চার্জিং সংক্রান্ত সমস্যাগুলির ফেরতের জন্য, ক্লায়েন্ট-যাত্রীকে অবশ্যই পেমেন্ট পরিষেবা প্রদানকারীর সাথে যোগাযোগ করতে হবে যার মাধ্যমে তিনি লেনদেন করেছেন।
    6. সফলভাবে কেনা টিকিট ফেরতের জন্য, ক্লায়েন্ট-যাত্রীকে অবশ্যই তাদের নিজ নিজ স্টেশনে যেতে হবে (অর্থাৎ, প্রস্থান স্টেশন যেখান থেকে ক্লায়েন্ট-যাত্রী ভ্রমণ করবেন) এবং ফেরত কাউন্টারের সাথে যোগাযোগ করুন।
    7. বাংলাদেশ রেলওয়ে বা Shohoz-Synesis-Vincen JV টিকিট প্রদান না করা বা পেমেন্ট প্রক্রিয়াকরণে ত্রুটি বা অন্য কোনো কারণে যা বাংলাদেশ রেলওয়ে বা Shohoz-Synesis-Vincen JV-এর নিয়ন্ত্রণের বাইরের কারণে টিকিট না দেওয়া বা ফেরত বিলম্বের জন্য দায়ী থাকবে না।
    8. বাংলাদেশ রেলওয়ে কোনো গ্যারান্টি/ওয়ারেন্টি দেয় না যে অনেক পরিষেবা প্রদানকারীর উপর নির্ভরতার কারণে উপরোক্ত পরিষেবাগুলির যেকোনো একটি নিরবচ্ছিন্ন, সময়মত বা ত্রুটিমুক্ত হবে।
    9. এই টিকিট অ-হস্তান্তরযোগ্য এবং অ-বরাদ্দযোগ্য।
    10. 3 থেকে 12 বছর বয়সী শিশুদের জন্য ছোট টিকিট কেনা বাধ্যতামূলক৷
    11. যেসব যাত্রী লাগেজের ওজন সীমার মধ্যে ভ্রমণ করেন তাদের জন্য কোনো অতিরিক্ত ফি নেই: AC- 56 KG, প্রথম শ্রেণি- 37.5 KG, শোভন চেয়ার/ শোভন- 28 কেজি, শুলোভ- 23 কেজি।
    12. অনিবার্য পরিস্থিতির কারণে যাত্রার সময় কোচ/সিট নম্বর পরিবর্তন হতে পারে।
    13. বাংলাদেশ রেলওয়ে একটি জাতীয় সম্পদ। টিকিট না কিনে বাংলাদেশ রেলওয়েতে ভ্রমণ করবেন না। ভ্রমণের সময় ট্রেনের টিকিট কিনুন এবং অন্যদেরও তা করতে উৎসাহিত করুন।
    14. বৈধ টিকিট ছাড়া যেকোন ভ্রমণ করলে বিচারের মুখোমুখি হতে পারে। বাংলাদেশ রেলওয়েতে ভ্রমণের জন্য যাত্রীর অবশ্যই একটি বৈধ টিকিট থাকতে হবে। কোনো মেয়াদোত্তীর্ণ টিকিট বা ভবিষ্যতে ভ্রমণের তারিখ থাকা টিকিট বৈধ হবে না।
    15. ভ্রমণের তারিখ এবং সময়, গন্তব্য, আসন নম্বর এবং কোচের বিবরণ সম্পর্কিত টিকিটের সঠিকতা পরীক্ষা করা গ্রাহক-যাত্রীর দায়িত্ব। পছন্দসই গন্তব্যের প্রাপ্যতা, আসন সংখ্যা ইত্যাদির উপর নির্ভর করে ভুলভাবে কেনা টিকিটগুলি প্রতিস্থাপন করা যেতে পারে।
    16. এই শর্তাবলীতে বাংলাদেশ রেলওয়ে বা Shohoz-Synesis-Vincen JV দ্বারা স্বীকার করা যাই হোক না কেন, বাংলাদেশ রেলওয়ে বা Shohoz-Synesis-Vincen JV কেউই রেল টিকিট বা ভ্রমণের কারণে উদ্ভূত প্রকৃতির কোনো দায় স্বীকার করে না।

     

    ট্রেন টিকেট সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্ন ও উত্তর

    1. অনলাইনে ট্রেনের টিকেট কেনার জন্য ব্যবহৃত মাধ্যম কোনটি?

      বর্তমানে অনলাইনে টিকেট কেনার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে eticket.railway.gov.bd ওয়েবসাইট। ওয়েবসাইট থেকেই পূর্বের নিয়ম অনুসারে টিকেট ক্রয় করতে পারবেন।

    2. কতদিন আগে ট্রেনের টিকেট কাটা যায়?

      অনলাইনে ৫ দিন আগে থেকে ট্রেনের টিকেট কাটা যায়।

    3. অনলাইনে কিভাবে ট্রেনের টিকেট কাটবো?

      অনলাইনে টিকেট কাটার জন্য ই টিকেট ওয়েবসাইটে একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তারপর প্রোফাইলের তথ্য আপডেট করার পর, পছন্দের গন্তব্য অনুযায়ী ট্রেন সার্চ করে পেমেন্ট সম্পন্ন করে টিকেট কাটতে পারবেন।

    4. অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন ছাড়া সরাসরি কি টিকেট কাটতে পারবো?

      না। অনলাইনে ট্রেনের টিকেট কেনার জন্য আপনার মোবাইল, ইমেইল ও NID নম্বর দিয়ে ই টিকেট সিস্টেমে একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে হবে এবং মোবাইল নম্বর ভেরিফিকেশন করতে হবে।

    5. কাউন্টার থেকে কেনা টিকেট কিভাবে অনলাইনে Verify করতে হয়?

      কাউন্টার থেকে কেনা অফলাইন টিকেট ভেরিফাই করার জন্য, প্রথমে Railway E Ticketing system এ রেজিস্ট্রেশন ও মোবাইল ভেরিফিকেশন করুন। তারপর Verify Ticket মেন্যুতে গিয়ে মোবাইল নম্বর ও টিকেট নম্বর দিয়ে Verification করতে পারবেন।

    6. অনলাইনে কখন টিকেট পাওয়া যায?

      আপনি সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অনলাইনে টিকেট ক্রয় করতে পারবেন।

    7. অনলাইনে ট্রেনের টিকেট কত ভাগ পাওয়া যায?

      অনলাইনে ৫০% টিকেট বিক্রি হয়

    8. বাংলাদেশ রেলওয়ের সাপোর্ট পাওয়া যাবে কিভাবে?

      তাদেরকে ই-মেইল করুন: support@eticket.railway.gov.bd

    9. ট্রেনের টিকিটের মূল্য কত?

      উত্তর: ট্রেনের টিকিটের মূল্য তালিকা ২০২২ তাদের ওয়পসাইটে রয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েপসাইট থেকে ট্রেনের মূল্য তালিকা দেখুন।

    10. বিকাশের মাধ্যমে ট্রেনের টিকিট কাটা যায় কি?

      উত্তর: অবশ্যই, আপনি বিকাশের মাধ্যমে ট্রেনের টিকিট কাটতে পারবেন। এজন্য আপনাকে বিকাশ অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে।

     

 

 

রিলেটেড আরও পোস্ট

মতামত দিন

error: Content is protected !!